Tutorials

Tutorials

Like Us on Facebook

About Pro Video

এক্সক্লুসিভ থেকে আরও>>

Computer Tricks

[Computer Tricks][pvid]

Mobile Tricks

Mobile Tricks
Showing posts with label Mobile Tricks. Show all posts
Showing posts with label Mobile Tricks. Show all posts

ব্যাটারি ব্যাকআপ নিয়ে যাদের সমস্যা তারা মনযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়ুন,কাজে লাগলেও লাগতে পারে।

- No comments


১. ওয়ালপেপার - আমরা অনেকেই লাইভ ওয়ালপেপার ইউজ করতে পছন্দ করি। কারন এর অ্যানিমেশন আমাদের মুগ্ধ করে। কিন্তু এই লাইভ ওয়ালপেপার কিন্তু প্রচুর চার্জ খায়। লাইভ ওয়ালপেপারের এই অ্যানিমেশনের পিছনে কিন্তু CPU, GPU, RAM সবকিছুই ভালভাবে কাজ করে। তাই এইগুলোর চাহিদা পুরণের জন্য ব্যাটারির চার্জ তাড়াতাড়ি ফুরায়। তাই, সবসময় লাইভ ওয়ালপেপার বর্জন করার চেষ্টা করবেন। শুধু সাধারন ওয়ালপেপার ব্যবহার করবেন।আর যারা অ্যামোলেড ডিসপ্লের সেট ইউজ করেন তারা সাধারন ওয়ালপেপারের মধ্যেও একটু বাছ বিচার করতে হবে। কারন অ্যামোলেড স্ক্রিনের পিক্সেল নিজেই লাইট উৎপন্ন করে। এতে চার্জও বেশি খরচ হয়। কিন্তু ওয়ালপেপার যত ব্ল্যাক হবে পিক্সেল তত কম লাইট উৎপন্ন করবে। তাই অ্যামোলেড ডিসপ্লেতে যত পারা যায় ব্ল্যাক ওয়ালপেপার, থিম ইত্যাদি ব্যবহার করুন। অ্যামোলেডে ব্ল্যাকের পার্সেন্টেজ যত বাড়াতে পারবেন,ব্যাটারি খরচের পার্সেন্টেজ তত কমাতে পারবেন। কিন্তু আই পি এস,টি এফ টি বা অন্য ডিসপ্লের সেটে এই পদ্ধতি ব্যবহার করার দরকার নাই।



২. ব্রাইটনেস - ব্রাইটনেস সম্পর্কে সবাই জানি যে ডিসপ্লের ব্রাইটনেস যত কম হবে,ব্যাটারির চার্জ তত বেশি সময় থাকবে।কিন্তু আমার মত অনেকের একটা ভুল ধারনা যে অটো ব্রাইটনেস অন করে রাখলে মনে হয় চার্জ কম খায়। আসলে এতে আরো চার্জ বেশি খায়। আর সবসময় কমা বাড়া করতে থাকা একটা বিরক্তিকর জিনিসও বটে। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন স্ক্রিন ব্রাইটনেস যত কমিয়ে রাখা যায়, এতে ব্যাটারি ব্যাকআপ ভাল পাবেন। আর একবার অভ্যস্ত হয়ে পড়লে কম ব্রাইটনেসেও কোন সমস্যা হবে না। আর ডিসপ্লে ব্রাইটনেস কন্ট্রোলিংকে আলটিমেট পর্যায় নিয়ে যেতে lux auto brightness,darker pro,twilight ইত্যাদি অ্যাপস ইউজ করতে পারেন। এতে ব্যাটারি ব্যাকআপ আরো বাড়বে।তবে যে অ্যাপসই ইউজ করেন,খেয়াল করে দেখবেন সেটা কতটুকু র্যাম খাচ্ছে। যেমন: lux auto brightness একটি জনপ্রিয় এবং প্লে স্টোরে ভাল রেটিং প্রাপ্ত কার্যকরী অ্যাপস।কিন্তু এটি ৩৬-৩৭ মেগাবাইট র্যাম খায়। এখন আপনার ৫১২ মেগাবাইট র্যামের ৩৬-৩৭ মেগাবাইট যদি অলটাইম একটা অ্যাপসই খায় তাহলে ব্যাটারি ব্যাকআপ দিয়া করবেন কি?  আর display timeout ও চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব কম দেওয়া যায়।



৩. অ্যানিমেশন - এক অ্যাপস থেকে অন্য অ্যাপসে যাওয়ার সময়, ব্যাক,মেনু, হোম ইত্যাদি বাটন চাপার পর যে অ্যানিমেশন হয় তাতে কিন্তু চার্জ খায়। কারন এই অ্যানিমেশনের ফ্রেম তৈরি করার জন্য GPU ব্যবহৃত হয় (সম্ভবত CPU ও)। আর এই GPU সচল থেকে আপনার ব্যাটারি ড্রেইন করে। তাই, settings>developer options এ গিয়ে windows animation scales, transition animation scale ইত্যাদি ইত্যাদি অ্যানিমেশন সম্পর্কে যা যা আছে সবগুলো অফ করে দেন। এতে চার্জ খরচ কিছুটা হলেও কমবে।



৪. WIDGETS - অনেকেরই আমার মত ডিসপ্লেতে শুধু WIDGETS দিতে মন চায়। কিন্তু এই WIDGETS এর পিছনে RAM,CPU সবই চলে এবং তার ফলে ব্যাটারিও ভালই খরচ হয়। তাই হোমস্ক্রিনে চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব কম WIDGETS রাখা যায়।আর হোমস্ক্রিনে একটা WIDGETS ও যদি ব্যবহার করা না হয় তাহলেও তো কোন সমস্যা হয় না। আর WIDGETS গুলো সবসময় নিজেদেরকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে আপডেট রাখে, তাই ফোনকে বিভিন্ন সময় চলতে হয় এবং বিভিন্ন অ্যাপসও এর কারনে ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু হয়, যা ব্যাটারিতে বিশাল প্রভাব ফেলে। তাই, যতটা সম্ভব WIDGETS কে পরিহার করুন এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ান। আর বেশিরভাগই WIDGETS ই টাইম টু টাইম বিভিন্ন তথ্য আপডেট নেয়, এগুলো অটোমেটিক না করে ম্যানুয়ালি করলে ব্যাটারি খরচ কমবে।



৫. CONNECTIVITY & AUTO ROTATION - আমরা অনেকেই অকারনে WIFI, DATA -CONNECTION, BLUETOOTH, GPS,NFC, AUTO SYNC, AUTO ROTATION ইত্যাদি অন করে রাখি। আর এগুলো যত বেশি অন থাকবে ব্যাটারির চার্জও তত তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যাবে। তাই,চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব এইসব সার্ভিসগুলো অফ করে রাখতে, এতে আপনার ব্যাটারির চার্জ অনেকাংশে সাশ্রয় হবে। আর প্রয়োজন না হলে সিমে 3G সার্ভিস অন করে রাখবেন না। কারন, সিমে 3G অ্যাক্টিভ থাকলে চার্জ দ্রুত শেষ হয়। আর AUTO ROTATION এর বেলায় তো আমরা একদম উদাসীন। ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়াতে হলে এইসব উদাসীনতা দূর করে একটু সচেতন হতে হবে।



৬. Haptic feedback,vibration etc - ফোনে টাচ করলেই টকাস টকাস করে সাউন্ড করে, কোন জায়গায় টাচ করলাম তার চিহ্ন দেখায়, ব্যাক,হোম,মেনু এইসব বাটনে টাচ করলে, লকস্ক্রিন খুললে ভাইব্রেশন দেয়, খুবতো মজাই লাগে। কিন্তু এতেও ব্যাটারি ব্যাকআপ কমে যায়। তাই এইসব আজাইরা সার্ভিসগুলো বন্ধ করুন, ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়বে।



৭. বিভিন্ন ধরনের ধরনের Smart features যেমন smart pause,smart scrolling,smart stay ইত্যাদি যাদের সেটে আছে তারা খুব প্রয়োজন না হলে এগুলো ON করে রাখবেন না।এগুলো ব্যবহার যত কম করবেন,ব্যাটারি ব্যাকআপ তত বাড়াতে পারবেন।



৮.অ্যাপস কন্ট্রোলিং - ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়াতে হলে আপনার ফোনে ইনস্টলকৃত অ্যাপগুলোকে কন্ট্রোল করা ছাড়া দ্বিতীয় কোন পথ নাই।অ্যাপসগুলোকে কয়েকভাবে কন্ট্রোল করতে হবে।



(1) প্রথমে অপ্রয়োজনীয় সব অ্যাপসগুলো (SYSTEM APPS সহ) আনইনস্টল করুন। কারন অ্যাপস যত বেশি হবে আপনার সেটের RAM,CPU,GPU তত বেশি ব্যবহৃত হবে আর চার্জও বেশি খরচ হবে। তাই,অ্যাপস কমিয়ে এমন পর্যায়ে আনুন যা না ব্যবহার করলেই নয়।এতে ব্যাটারি ব্যাকআপ + পারফর্মেন্স দুটোই বাড়বে। অপ্রয়োজনীয় SYSTEM অ্যাপস চিহ্নিত করতে নিচের লিঙ্কে যান এবং ঐ অনুসারে সব অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসগুলো আনইনস্টল করুন।



Removable System Apps: http://forum.xda-developers.com/showthread.php?t=1207407

[LIST] System Apps that are SAFE* to remove!:

 http://forum.xda-developers.com/showthread.php?t=1487073



যেকোন একটা অ্যাপস দিয়ে SYSTEM অ্যাপসগুলো আনইনস্টল করুন।



(2) এখন যে অ্যাপসগুলো ইনস্টল করা আছে এগুলোকেও কন্ট্রোল করতে হবে। আমরা যেসব অ্যাপস সেটে ইনস্টল করে রাখি তার বেশিরভাগই আমরা না চালালেও অটোমেটিকালি ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে, সেটের RAM এবং CPU ব্যবহার করে চার্জও নষ্ট করে। তাই ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়াতে হলে এই ব্যাকগ্রাউন্ডে চলাকে বন্ধ করতে হবে। uucleaner বা greenify যেকোন একটি অ্যাপসের মাধ্যমে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপসগুলোকে হাইবারনেট করুন। এতে পারফর্মেন্স + ব্যাটারি ব্যাকআপ দুটোই বাড়বে। আর uucleaner ইউজ করলে তা দিয়ে notifications ও কন্ট্রোল করুন। যেসব অ্যাপসের notifications আপনার দরকার নাই, সেগুলো বন্ধ করে দেন, এতে বিরক্তিও কমবে,ব্যাটারি ব্যাকআপও বাড়বে।



(3) এবার নিচের লিঙ্ক থেকে better battery stats অ্যাপটা ডাউনলোড করেন।



http://forum.xda-developers.com/showthread.php?t=1179809



এই অ্যাপসটা দিয়ে ভালমত চেক করুন,আপনার ব্যাটারির চার্জগুলো কিসে কিসে খাচ্ছে। কোন অ্যাপস তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাচ্ছে বলে মনে হলে তা আনইনস্টল করে অল্টারনেটিভ কোন অ্যাপস ইউজ করেন। এক্ষত্রে আপনি অন্য কোনও অ্যাপও ইউজ করতে পারেন। তবে যা ই ইউজ করেন তা দিয়ে কোন অ্যাপস ডিসপ্লে বন্ধ থাকার পরও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে ব্যাটারির বারোটা বাজাচ্ছে, কোন অ্যাপস কতটুকু চার্জ ইউজ করতেছে তা যেন বিস্তারিত দেখা যায়।পরে সেই অ্যাপসের উপর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিবেন।



(4) সবসময় ইনস্টল করা অ্যাপগুলোকে আপ টু ডেট রাখতে চেষ্টা করুন। কারন কোন অ্যাপ আপডেট দিলে তা সাধারণত কম র্যাম ও ব্যাটারির চার্জ ইউজ করে। কারন, পূর্বের ভার্সনে এইসব কোন সমস্যা ধরা পড়লে ডেভেলপাররা তা ফিক্স করার চেষ্টা করেন।



(5) সবসময় অ্যাপসগুলোর ad free ভার্সন ইউজ করবেন, এতে ইন্টারনেট ব্যবহার না করার জন্য ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়বে। অথবা afwall, droidwall, no root firewall এগুলোর যেকোন একটি অ্যাপ ইউজ করে যেসব অ্যাপসগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ দরকার নাই,সেগুলো থেকে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এতে ইন্টারনেট খরচ কমবে এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়বে।



৯. সেট এমন জায়গায় রাখবেন যাতে সিম ফুল নেটওয়ার্ক পায়। কারন সিম ফুল নেটওয়ার্ক না পেলে তা পাওয়ার জন্য বেশি চার্জ খরচ করে।



১০. প্রসেসর (CPU) কন্ট্রোলিং-ভাল পারফর্মেন্স,ব্যাটারি ব্যাকআপ ইত্যাদি যা ই আপনি চান না কেন, এসব কিছু করতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রসেসরকে কন্ট্রোল করতেই হবে। কারন, যেকোন অ্যাপস বা কোন কিছু সেটে চললেই তার পিছনে প্রসেসরও কাজ করে। আর প্রসেসর চললে ব্যাটারির চার্জও ফুরাতে থাকে। তাই প্রসেসর যত কম ব্যবহৃত হবে ব্যাটারি ব্যাকআপ তত ভাল পাবেন। প্রসেসরকে বিভিন্নভাবে কন্ট্রোল করতে পারেন। CPU কন্ট্রোলিং যেকোন অ্যাপস দিয়ে আপনি CPU governor powersave দিয়ে দিলেও ব্যাটারি সেভ হবে। কিন্তু এতে সেট স্লো হয়ে যাবে এবং চালাতে পারবেন না। তাই tasker,antutu cpu master pro,set cpu ইত্যাদি অ্যাপস দিয়ে আপনি বিভিন্ন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে CPU এর governor অটোমেটিক চেঞ্জ করে অনেক ব্যাটারির সাশ্রয় করতে পারবেন। যেমন, রাত ১২ টা থেকে সকাল ৬ টা, বা ডিসপ্লের আলো বন্ধ হয়ে গেলে ইত্যাদি সময়ে আপনার CPU এর কোন কাজ করার দরকার নাই। তাই এসময় যদি আপনি CPU এর ফ্রিকোয়েন্সি সবচেয়ে কম দিয়ে রাখেন,তাহলে নিজের কাজের ক্ষেত্রেও কোন সমস্যা হবে না এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ অভূতপূর্বভাবে বাড়বে। তাই,অপ্রয়োজনীয় সময়ে CPU ফ্রিকোয়েন্সি একদম কমিয়ে রাখুন এবং অবিশ্বাস্য ব্যাটারি ব্যাকআপ উপভোগ করুন।আর এই অ্যাপসগুলো চালানোও একদম সহজ। একটু চেষ্টা করলে সহজেই CPU কে নিজের আয়ত্তে নিয়ে আসতে পারবেন। বিভিন্ন প্রকার CPU governor এবং i/o schedulers সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে,নিচের লিঙ্কগুলোতে যান।



CPU Governors explained

http://forum.xda-developers.com/showthread.php?t=1736168

[SHARE] CPU Governors and I/O Schedulers Explained 12/23

http://forum.xda-developers.com/showthread.php?t=1950084

CPU Governors explained

http://forum.xda-developers.com/showthread.php?t=1663809



১১. Upgrade Android - আপনার এন্ড্রয়েড ভার্সন পারলে আপগ্রেড করুন। কারন, সাধারনত অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেড করার সাথে সাথে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ে। ব্যাটারি বেশি ড্রেইন হওয়ার কোন কারন কোন এন্ড্রয়েড ভার্সনে পেলে গুগল তার পরবর্তী ভার্সনে তা ফিক্সড করার চেষ্টা করে।



১২. কাস্টম রম - কাস্টম রমগুলোতে সাধারনত ব্যাটারি ব্যাকআপ বেশি ভাল পাওয়া যায়। স্টক রমে এ ধরনের কোন সমস্যা থাকলে ডেভেলপাররা তা কাস্টম রমে ফিক্স করার চেষ্টা করেন। সব কাষ্টম রমই যে ভাল ব্যাটারি ব্যাকআপ দেয় তা ও না, কোন কোনটার ব্যাটারি ব্যাকআপ তো স্টক রমের চেয়েও জঘন্য। তাই যেই রমে ব্যাটারি ব্যাকআপ ভাল, সেই রম ইউজ করুন।



১৩. কাস্টম কার্নেল - কাস্টম রমের মতই স্টক কার্নেলের চেয়ে বেশি ফিচার নিয়ে কাস্টম কার্নেল তৈরি করা হয়। অনেক কাস্টম কার্নেলে ব্যাটারি Undervolt করার সিস্টেমও থাকে। তাই, আপনার সেটের যদি কাস্টম কার্নেল থাকে তাহলে তা ফ্ল্যাশ দিন। তবে,দুঃখের কথা হইল এই যে, আমাদের symphony,walton এর সেটগুলোর কোন কাস্টম কার্নেল নাই, তাই আমাদের এই বিষয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে। আর যাদের ব্র্যান্ডের সেট এবং কাস্টম কার্নেল আছে, তারা অবশ্যই ট্রাই করে দেখবেন।



১৪. scripts & mods - এন্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়াতে হলে আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন ধরনের sripts এবং mods ব্যবহার করতে হবে। এগুলো ছাড়া আপনি কোনভাবেই ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং পারফর্মেন্সকে আলটিমেট পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন না। এগুলো দিয়ে কার্নেলের বিভিন্ন প্যারামিটার কন্ট্রোলিং করা ছাড়াও বিভিন্ন কাজ করা হয়। কাস্টম রমের ভাল পারফর্মেন্স এবং ব্যাটারি ব্যাকআপের রহস্য অনেকাংশেই এগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। কিছু জনপ্রিয় scripts & mods হল: v6 superchargerpure performancefly on modcrossbreederadrenaline engineoperation killjoythunderbolttweak dryptreincarnation enginenxenginextweaksmalive boosterthe grat dash modfluid enginesmart fluidblend boosted ইত্যাদি ইত্যাদি।



সাধারনত কাস্টম রমে এইসব scripts & mods গুলো দেওয়া থাকে, তাই কাস্টম রম ইউজাররা এই সম্পর্কে খুব বেশি না জানলে এই নিয়ে ঘাটাঘাটি না করাই ভাল। আর এগুলোর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল আপনি সবগুলো একসাথে ইউজ করতে পারবেন না, তাহলে সেটে সমস্যা হবে। কারন অনেকগুলোই একটার সাথে আরেকটা conflicted. তাই এদের মধ্যে যেকোন একটা, দুইটা বা তিনটা এরকম ইউজ করতে পারবেন কিন্তু তাও আবার হিসাব করে। তাই, এই সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ হল, কাস্টম রম ইউজ করলে, জানা বা শেখার উদ্দেশ্য ছাড়া এই জিনিস বাদ দেন। কিন্তু স্টক রম ইউজাররা অবশ্যই ইউজ করবেন, তবে জেনেশুনে, অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিয়ে, নিজে আন্ধাগোন্ধা কিছু কইরেন না। আর এন্ড্রয়েড যদি চালাইতেই হয় প্রত্যেকেরই এই বিষয়গুলো জানা দরকার, গুগলে সার্চ দিলে আর xda তে অল্প একটু সময় দিলেই scripts & mods এর ব্যাপারটা সহজেই বুঝতে পারবেন।

scripts & mods এর ব্যাপারটা অনেক জটিল, তাই এই পোষ্টে এটা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব না,আলাদা পোষ্ট করতে হবে।



১৫. ব্যাটারি - সবসময় অরিজিনাল ব্যাটারি ব্যবহার করুন। দুই নম্বর তিন নম্বর ব্যাটারি ব্যবহার করলে তো ব্যাটারি ব্যাকআপ কম পাবেনই।এতে সেটেরও ক্ষতি হয়। কয়েকটা টাকা বাঁচানোর জন্য এই কষ্ট ও ক্ষতির কোন মানে আছে! ব্যাটারির জন্য সঠিক চার্জারটিও নির্বাচন করুন।



১৬. Tasker - এন্ড্রয়েড ফোন থেকে আলটিমেট ব্যাকআপ পাইতে হইলে,এন্ড্রয়েড ইউজিং এক্সপেরিয়েন্সকে আলটিমেট লেভেলে নিয়ে যেতে হলে আপনাকে tasker নামক অ্যাপটা ইউজ করতেই হবে। এটা নিয়ে বিস্তারিত তো দুরের কথা সংক্ষেপেও কোন কথা বলতে চাই না, সংক্ষেপে বলতে গেলেও এতক্ষন যা লিখলাম, তার চেয়েও বেশি লেখা লাগবে। আমি আর পারছি না, নিজেরাই অ্যাপটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করুন,কেউ পারলে গ্রুপে বিস্তারিত পোষ্ট বা টিউটোরিয়াল দেন, আমি সময় পাইলে চেষ্টা করবো।



এখন কিছু কথা হইল,আমি এখানে কোন battery saver বা সেটের ডিফল্ট power saving mode ইউজ করার কথা বলি নাই, কারন এগুলো উপরের উল্লখিত কাজগুলোর মধ্যে কিছু কিছু কাজকে প্রেফাইলের মাধ্যমে কন্ট্রোল করে যা আমাদের অনেকের সাথেই ঠিকমত ম্যাচ করে না। তাই আশা করি battery saver এবং power saving mode ইউজ না করে এগুলো ফলে করলে ব্যাটারি ব্যাকআপও বেশি পাবেন এবং ঝামেলাও কম হবে।



আর battery calibration? ব্যাটারি calibrate এর সাথে ব্যাটারি ব্যাকআপের সম্পর্ক নাই,এর সাথে সম্পর্ক হইল ব্যাটারির দেখানো স্ট্যাটাসের।

আর সবচেয়ে বড় এবং একমাত্র কথা হইল be realistic.এটা একটা ব্যাটারি, পিডিবি'র অফিস না। তাই চার্জ শেষ হবেই,এটাকে স্বাভাবিকভাবে দেখতে শিখুন।



    This is not a GUIDE to get better battery life but rather a GUIDELINE to get it. What is the difference, you say? A Guide is a step by step process that you must/should follow to get the outcome that the person who created it wanted you to get [A+B+C+D should = E] . A Guideline is more of arecommendation that allows some choice or flexibility in theunderstanding, execution or use [A +B-(C+D) can = E] .

-A xda member



তাই, আশা করি সবাই তেল,তোষামোদ, বকবক বাদ দিয়া সঠিকভাবে রিভিউ দিয়ে সাহায্য করবেন,এই পোষ্টের যদি একটা অক্ষরও ফলো করেন, তা ফলো করার আগে ও পরে ব্যাটারি ব্যাকআপের বিস্তারিত অবস্থা জানিয়ে কমেন্ট করবেন, কোথায় কোথায় ভুল তা জানাবেন, আর কি কি করেন তা জানাবেন।

 পোস্টটি লিখেছেনঃ Tahjib Sarwar Talha । https://www.facebook.com/tahjibsarwar.talha

blended from various xda threads & various android related website's post.

credit:RECOGNIZED MADS



thanks to :Many members of Android Custom Roms & Developments (BANGLADESH),my little brain can not remind all of their names.

Dwayne Carter vai for encouraging & helping me to post it in XDA.



All Credit for this doc goes to মুহাম্মদ মাহাদি হাসান


অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে সহজে মডেম হিসেবে ব্যবহার করা এবং ওয়াই-ফাই হটস্পট তৈরি করা

- No comments
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোনকে মডেম হিসেবে কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারেন । এ ক্ষেত্রে ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ সক্রিয় থাকতে হবে।

USB Connection দ্বারা ইন্টারনেট :
এ জন্য কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্টে ডাটা কেবল ফোন যুক্ত করুন।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের Data connection-চালু করে নিন।
এবার Settings থেকে More / More Settings-এ যান।এখানে Tethering & portable hotspot চাপুন। USB tethering-এ চাপলে সেটি চালু হয়ে যাবে এবং ফোনের ইন্টারনেট কম্পিউটারে ব্যবহার করা যাবে। অ্যান্ড্রয়েডের অন্যান্য সংস্করণের জন্য ওপরের নিয়মে Tethering & portable hotspot খুঁজে নিয়ে USB tethering সক্রিয় করে দিলে ফোন মডেম হিসেবে কাজ করবে।


Wifi Hotspot তৈরি করা :
আপনি ইচ্ছা করলে ওয়াইফাই হটস্পট তৈরি করেও আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারনেট শেয়ার করে ল্যাপটপ এ ব্যবহার করতে পারেন ।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের  Data connection চালু করে নিন।
এবার Settings থেকে More / More Settings-এ যান।এখানে Tethering & portable hotspot চাপুন। এরপর Portable Wifi Hotspot চেপে সেটি চালু করুন। তাহলেই আপনার Wifi Hotspot তৈরি হয়ে যাবে । আপনার ল্যাপটপ এর ওয়াইফাই অন করে ল্যাপটপ এ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন ।  
Wifi Hotspot এর সুবিধা হল - আপনি একাধিক ডিভাইস এ আপনার শেয়ার করা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন ।

ভাল থাকুন এবং  TechnoTrickBD | টেকনোট্রিক বিডি এর সাথেই থাকুন ।

Tags: android, portable wifi hotspot, android internet share, usb tethering, wifi, use andoid phone as modem

অ্যান্ড্রয়েড ফোন চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে কী করবেন ???

- No comments

প্রিয় অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি হারিয়ে গেলে মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকা ছাড়া উপায় আছে? নতুন একটা সেট না হয় কেনা গেল কিন্তু আগের সেটের প্রয়োজনীয় ড্যাটাগুলো তো আর পাবেন না। এখন কী আর করা হা-হুতাশ ছাড়া!

কিন্তু না, আপনার প্রিয় ডিভাইসটির চুরি ঠেকাতে পারেন সহজেই। আর চুরি হয়ে গেলেও চোর ধরতে পারবেন অনায়াসে! এর জন্য কিছু অ্যাপস এবং টিপস জানা থাকলেই চলবে।

এ কৌশল ব্যবহার করার আগে নিশ্চিত হোন আপনার ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ, জিপিএস সিস্টেম চালু এবং জিমেইল অ্যাকাউন্টে লগইন করা আছে কি না।

১. অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার ( Android Device Manager )

 এই অ্যাপসটি সম্পূর্ণ ফ্রি এবং অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে বিল্টইন থাকে। অ্যাপসটি অ্যাকটিভ করতে Settings -> Security -> Device Administrators -> Android Device Manager.

এই অ্যাপস দিয়ে আপনার ইমেইল অ্যাকাউন্ট থেকেই রিমোটকন্ট্রোলারের মতো ডিভাইসটিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ডিভাইস চুরি গেলে কোনো ল্যাপটপে বা যে কোনো স্মার্ট ডিভাইসে জিমেইলে লগইন করুন। এরপর প্রথমে গুগল ম্যাপে গিয়ে জিপিএসের মাধ্যমে আপনার ফোনটি ট্র্যাক করুন। নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে ফোনটি এখান থেকেই লক করে দিতে পারেন। এমনকি ফোনে সব ড্যাটা মুছে ফেলতে পারেন। তারপর অ্যালার্ম সেট করতে পারেন যা পাঁচ মিনিট অন্তর অন্তর ফুল ভলিউমে বাজবে।

২. হোয়ারস মাই ড্রোয়েড  ( Wheres My Droid )

প্লে-স্টোর থেকে অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

Download Wheres My Droid

 এর ব্যবহার ঠিক Android Device Manager এর মতোই। তবে এতে কিছু বাড়তি সুবিধা আছে-

*সিম কার্ড পরিবর্তন করলে মেইলে নোটিফিকেশন আসবে

এর সুবিধাগুলো হলো-
* read sent and received SMS messages
* wipe phone
* lock phone
* erase SD card
* locate by GPS or network
* start alarm with flashing screen
* send SMS from web page
* message popup
* forward calls
* remote install
* phone status: battery, imei, etc.
* remote SMS alarm
* remote SMS lock and unlock
* remote SMS erase SD card
* remote SMS wipe phone
* remote SMS APN control
* start/stop GPS
* start/stop WIFI
* hide from launcher
* email when SIM card is changed
* get call list
* take picture with front camera
* take picture with rear camera
* make your phone speak with text-to-speech
* SMS message command
* SMS speak command
* lock timeout
* restore settings on boot
* record sound from microphone
* start and stop data connection from SMS
* start and stop WIFI connection from SMS
* content browser prototype 
 

চরম !! Jar Format এ মোবাইল ইবুক ডাউনলোড করুন ( ৫০ টি জাভা ইবুক )

- 9 comments
আমাদের অনেকেরই কম্পিউটার নেই । তাই আমরা মোবাইল দিয়েই আমাদের সব কাজ চালাতে চাই যেমন গান শোনা, ভিডিও দেখা । অনেকে আবার ইবুক ও পড়তে চান । কিন্তু অনলাইনে ইবুক রিডার খুজতে খুজতে বিরক্ত । তারপরও দেখা যায় ঐ ইবুক রিডার দিয়ে অনেক ই বুক পড়া যাচ্ছে না ।
তাই আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ৫০ টি Jar বুক । যাদের মোবাইল java সাপোর্ট করে শুধু তাদের জন্য ।

এই Jar বুক গুলোর সুবিধাঃ 
কোন ইবুক রিডার লাগে না ।
শুধু ডাউনলোড করুন আর পড়ুন । 
সকল জাভা মোবাইল এ চলবে । 

হুমায়ূন আহমেদ এর বই 
Book Name: Sabdhan Misir Ali
Book Size: 139 KB
Book Name: Caya Songi
Book Size: 155 KB
Book Name: Krisno Pokkho
Book Size: 212 KB

Book Name: Himu Howar Niyom
Book Size: 120 KB

Book Name: Rohosho
Book Size: 151 KB

Book Name: Pipilika 
Book Size: 267 KB




আনিসুল হক এর বই

Book Name: Maa
Book Size: 538 KB
DOWNLOAD

Book Name: Lal Britto 
Book Size: 163 KB




জাফর ইকবাল এর বই

Book Name: Beji
Book Size: 200 KB

Book Name: Ekti Bager Khota
Book Size: 141 KB

Book Name: Ekti Gohin Gram
Book Size: 143 KB

Book Name: Programer
Book Size: 158 KB

Book Name: Sahosh
Book Size: 120 KB

Book Name: Shikari
Book Size: 143 KB

Book Name: Sinapsu Ghutia
Book Size: 123 KB







রকিব হাসান ( সেবা প্রকাশনী ) এর বই

Book Name: Dip Rohosho
Book Size: 154 KB

Book Name: Holud pisach
Book Size: 256 KB

Book Name: Konkal Dip
Book Size: 194 KB

Book Name: Sobuj Shohor
Book Size: 200 KB





মাসুদ রানা সেবা প্রকাশনী এর বই

Book Name: Akromon
Book Size: 533 KB
DOWNLOAD

Book Name: Duronto Egale
Book Size: 527 KB
DOWNLOAD

Book Name: Target Bangladesh
Book Size: 413 KB
DOWNLOAD

Book Name: Asce Cyclone
Book Size: 442 KB
DOWNLOAD

Book Name: Bish Chokro
Book Size: 260 KB

Book Name: Caridhike Shotru
Book Size: 385 KB

Book Name: Gupon Shotru
Book Size: 304 KB

Book Name: Mejor Rahat
Book Size: 414 KB

Book Name: Ondhokarer Bondhu
Book Size: 262 KB

Book Name: Rana Sabdhan
Book Size: 239 KB

Book Name: Red Dragon
Book Size: 294 KB

Book Name: Khuner Daye
Book Size: 175 KB

Book Name: Sornodip
Book Size: 281 KB

Book Name: Kalo Noksha
Book Size: 296 KB

Book Name: Opohoron
Book Size: 550 KB
DOWNLOAD

Book Name: Sotto Baba
Book Size: 548 KB
DOWNLOAD

Book Name: I Luv U Man 
Book Size: 784 KB
DOWNLOAD




ওয়েস্টার্ন বই সমূহ 

Book Name: Challenge
Book Size: 137 KB

Book Name: Kalo Ghora
Book Size: 173 KB

Book Name: Function of Shoud
Book Size: 163 KB




রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বই

Book Name: Kongkal
Book Size:155 KB

Book Name: Detective
Book Size:156 KB

Book Name: Guptodhon
Book Size:208 KB

Book Name: Rajtika
Book Size: 161 KB

Book Name: Rasmonir Chele 
Book Size: 192 KB




শরৎচন্দ্র এর বই

Book Name: Bochor Ponchash
Book Size:158 KB

Book Name: Bujha
Book Size: 165 KB

Book Name: Onupomar Prem
Book Size: 170 KB




বাংলা অনুবাদ বই 

Book Name: Simana Periye
Book Size:130 KB



অন্যান্য বই সমূহ 

Book Name: 5 Horror Story
Book Size:152 KB

Book Name: Nim Nakhara
Book Size:162 KB

Book Name: Sal Charanu bug
Book Size: 157 KB

Book Name: Bisonno Nogori
Book Size: 214 KB

Book Name: Biraler Dese idur
Book Size: 191 KB

Book Name: Bonberal 
Book Size: 160 KB

Book Name: Condi Mazar Rohosho
Book Size: 167 KB

Book Name: Manchinil
Book Size: 144 KB

Book Name: Rajpothe Novochari
Book Size: 167 KB

Book Name: Ghost House Operation
Book Size: 154 KB

Book Name: Compendar
Book Size: 258 KB

Book Name: Jadur Pakhi 
Book Size: 176 KB

Book Name: Ordhovagir Vagavagi 
Book Size: 164 KB

        অবশেষে একটি কথা ভাল লাগলে লাইক ও শেয়ার করবেন । সবাইকে ধন্যবাদ । 

আপনার Java মোবাইল এর জন্য ডাউনলোড করে নিন Pdf Reader

- 1 comment
সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা । 
জাভা প্ল্যাটফর্ম এর জন্য অনেক সফটওয়্যার থাকলেও  সফটওয়্যার নির্মাতা সকলের দৃষ্টি Symbian এর দিকে।Symbian এর জন্য pdf viewer সহজেই পাওয়া যায় ।
অনেকেই জাভা এর জন্য পিডিএফ রিডার খুজে বের করতে ব্যর্থ হয়েছেন ।
আমি আপনাদের মোট ৮ টি pdf viewer দিচ্ছি । ব্যাবহার করে দেখুন কোনটা আপনার ভাল লাগে। সরাসরি ডাউনলোড করে নিন ।
 ডাউনলোড লিংক>>>
এবার জাভা মোবাইল উপভোগ করুন সব pdf ফাইল।
সবাইকে ধন্যবাদ ।

মোবাইল কেনার আগে জেনে নিন বাংলাদেশে মোবাইল এর বর্তমান দাম

- 1 comment
মোবাইল কেনার আগে আপনি ইন্টারনেট থেকে জেনে নিতে পারেন বাংলাদেশে সকল মোবাইল এর বর্তমান দাম-দর । এর জন্য আপনাকে যেতে হবে মোবাইল মায়া নামে সাইট টিতে ।
মোবাই্ল গুলোর বাংলাদেশী সাম্প্রতিক মার্কেটপ্রাইস গুলো জানা যায় সাথে সাথে মোবাইলের ফিচারগুলোও দেখা যায়। আপনি মোবাইল গুলোর সম্পর্কে রিভিউ পাবেন ।
আপনি আপনার পছন্দ মত দামের ভাল মোবাইল টি খুজে পেতে সক্ষম হবেন ।
সবচেয়ে বড় কথা বর্তমান বাংলাদেশী মূল্য তো আছেই।
একদম প্রফেশনাল স্টাইলের সাইটটি শুধু বাংলাদেশীদের জন্য তৈরী।
ভিজিট করে আসুন http://www.mobilemaya.com